ক্যামেরার ঝলমলে আলো আর তারকাখ্যাতির আড়ালে পরীমনির সবচেয়ে বড় পরিচয় একজন মা। জীবনের ব্যস্ত স্রোত যতই তাকে দূরে টেনে নিক, সন্তানের কাছে এসে যেন সব ক্লান্তি থেমে যায়। আর সেই মাতৃত্বের উষ্ণতাই এবার ধরা পড়ল সুইমিংপুলের নীল জলে ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্যকে নিয়ে জলকেলিতে মেতে উঠলেন এই চিত্রনায়িকা।
ঢাকাই সিনেমার গ্ল্যামার কন্যা পরীমণি। রুপালি পর্দায় নানা বর্ণিল চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তবে পর্দার বাইরের পরীমণিকে সবচেয়ে বেশি চেনা যায় তার মাতৃত্বের মধ্য দিয়ে। শুটিংয়ের ব্যস্ততা কিংবা কাজের নানা চাপ সবকিছুর মাঝেও সন্তানদের প্রতি বিন্দুমাত্র কমতি রাখেন না অভিনেত্রী।
সব কিছুর ঊর্ধ্বে এখন তার কাছে প্রাধান্য পায় সন্তানদের হাসি-আনন্দ। নিজের কোলজুড়ে আসা বড় ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্য এবং পরবর্তীতে দত্তক নেওয়া ছেলে ও কন্যাসন্তান সাফিয়া সুলতানা প্রিয়মকে ঘিরেই এখন তার ভরা সংসার। জীবনের নানা আনন্দঘন মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ভালোবাসেন পরীমণি।
বিশেষ করে সন্তানদের সঙ্গে কাটানো সুন্দর সময়গুলোর ছবি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার নিজের সামাজিক যোগাযো গমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন পরীমণি। শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্যকে নিয়ে একটি সুইমিংপুলে জলকেলিতে মেতে উঠেছেন তিনি ।
কখনো পানিতে খুনসুটি, কখনো সন্তানের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্ত ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে মা-ছেলের নিবিড় ভালোবাসা ও পরম নির্ভরতার গল্প। মা-ছেলের এমন স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্ত দেখে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন নেটিজেনরা।
প্রসঙ্গত, অভিনেতা শরীফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কোনো ক্ষোভ, অভিযোগ বা আফসোসে না ভেসে সন্তানদের আঁকড়েই নতুন করে নিজের জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন পরীমনি।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।